






গতকাল রবিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ন মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, মামুনুল হক ওই মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তেজগাঁও বিভাগের শতাধিক পুলিশ প্রথমে ওই মাদ্রাসাটা ঘিরে ফেলে গ্রেপ্তার করে।







এ দিকে মামুনুলের গেফতারের খবর ভারতের গণমাধ্যমেও গুরুত্বপূর্ণভাবে প্রকাশ হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমস বিষয়টি নিয়ে নিজেদের প্রকাশিত খবরে বলেছে, ‘হেফাজতে ইসলামের মওলানা মামুনুল হক গ্রেফতার, মোদী বিরোধী বিক্ষোভের জের।’
হিন্দুস্তান টাইমসের ওই প্রতিবেদনের বিস্তারিততে বলা হয়, দুই দেশের সম্পর্ক ভাল। এমনকী দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্পর্কও যথেষ্ট দৃঢ়। তারপরও হয়েছিল বিক্ষোভ। আর সেদিনের বিক্ষোভের সাজা এল এবার। বাংলাদেশ সফরে গিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তখন পদ্মাপারের বিভিন্ন জায়গায় মোদী বিরোধী বিক্ষোভ দেখানো হয়েছিল। আর এবার তার মূলচক্রী হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মওলানা মামুনুল হককে গ্রেফতার করল ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ।অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, ঢাকায় গ্রেপ্তার মোদি বিরোধী বিক্ষোভের মূল চক্রী হেফাজতে ইসলামের নেতা’ শিরোনামে খবর প্রকাশ করেছে।







প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদ জানিয়ে হেফাজতে ইসলামি ঢাকা, চট্টগ্রাম-সহ বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক হিংসা ছড়ায়। ধারাবাহিক এই বিরোধিতার জেরে ১৮ জনের মৃ্ত্যু হয়েছিল। তখন থেকেই পুলিশের স্ক্যানারে ছিল মামুনুল। এর পরপরই ঢাকার অদূরে সোনারগাঁওয়ের একটি অবকাশ কেন্দ্রে এক যুবতী-সহ মামুনুল ধরা পড়ে। তখন ওই যুবতীকে নিজের দ্বিতীয় বিবি বলে দাবি করায় পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। পরে সেই যুবতী নিখোঁজ বলে তাঁর ছেলে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। রিসর্টকাণ্ডে রাজধানীর পল্টন থানা ও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানায় দু’টি মামলা হয়েছে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে।







এছাড়াও ভারতের গণমাধ্যম দ্য ওয়াল এবং আরো বেশ কয়েকটি ভারতীয় গণমাধ্যম মামুনুলের গ্রেপ্তারের খবর প্রচার করেছে।