রমজানে যে ৩ সময়ের দোয়া কবুল করেন আল্লাহ

চ’ল’ছে প’বি’ত্র মা’স। এ’ই মা’স’টি মু’স’লমা’ন’দে’র জ’ন্য অ’ধি’ক গু’রু’ত্ব’পূ’র্ণ। এ মা’সে বা’ন্দা’র প্র’তি’টি আ’ম’লে’র প্র’তি’দা’ন বা’য়ে দে’ন’ তি’নি। দো’য়া ক’বু’ল ক’রে’ন এ’বং জা”হান্না’ম থে’কে মু’ক্তি দি’য়ে থা’কে’ন। র’ম’জা’ন মা’সে আ’ল্লা’হ’র কা’ছ থে’কে পু’ণ্য পে’তে

তি’ন’টি স’ম’য়ে’র ক’থা র’য়ে’ছে হা’দি’সে। যে স’ম’য়ে বা’ন্দা’র প্র’তি আ’ল্লা’হ’র ক’রু’ণা থা’কে। এ’বা’র তা’হ’লে সে’স’ব বি’ষ’য়ে জে’নে নে’য়া যা’ক’।ফ’জ’রে’র প’র: পবি’ত্র র’ম’জা’ন মা’সে ফ’জ’রে’র না’মা’জে’র প’র অ’ধি’কাং’শ মা’নু’ষ ঘু’মি’য়ে থা’কে। অ’থ’চ এ স’ম’য় ই’বা’দ’ত ও

দো’য়া’র’ জ’ন্য খু’ব’ই গু’রু’ত্ব’পূ’র্ণ। এ ‘ব্যা’পা’রে বিশ্ব’ন’বী’ হ’য’র’ত মু’হা’ম্ম’দ (সা.) ব’লে’ছে’ন, যে ব্য’ক্তি ফ’জ”রে’র না’মা’জ জা’মা’তে’র স’ঙ্গে আ’দা’য় ক’রে, এ’র”পর সূ’র্য ও’ঠা প’র্য’ন্ত ব’সে ব’সে ম’হা’ন আ’ল্লা’হ’র জি’কি’র ক’রে, তা’র’প’র দু’ই রা’কা’ত না’মা’জ আ’দা’য় ক’রে,

সে’ই বা’ন্দা’র জ’ন্য এ’ক’টি হ’জ ও এ’ক’টি ওম’রা’হ’র স’ও’য়া’ব র’য়েছে। (সু’না’নে তি’র’মি’জি, হা’দি’স : ৫৮৬)ই’ফ’তা’রে’র আ’গে’র স’ম’য়: ই’ফ’তা’রে’র আ’গ মু’হূ’র্তে ই’বা’দ’ত ও দো’য়া ক’বু’লে’র জ’ন্য উ’ল্লে’খ’যো’গ্য স’ম’য়। ম’হা’ন’বী (সা.) ব’লে’ন, তি’ন ব্য’ক্তি’র

দোয়া ফিরিয়ে দেয়া হয় না; ন্যায়পরায়ণ শাসক, রোজাদার যখন সে ইফতার করে এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৭৫২)রাতের শেষ তৃতীয়াংশ: মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় শেষ রাতের ইবাদত,

দোয়া ও প্রার্থনার বিকল্প নেই। এ সময়ের দোয়া ও প্রার্থনার প্রশংসা করে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, তারা ধৈর্যশীল, অনুগত, সত্যবাদী, ব্যয়কারী এবং শেষ রাতে ক্ষমা প্রার্থনাকারী। (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৭)

হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকতে আমাদের সৃষ্টিকর্তা পৃথিবীর আকাশে নেমে আসেন এবং বলেন, আমাকে কে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব; আমাকে কে কাছে চাইবে, আমি তাকে দান করব; আমার কাছে কে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আমি তাকে ক্ষমা করব। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১১৪৫)