মুশফিকের সেঞ্চুরি দেখে অদ্ভুত মন্তব্য করলেন লিটন

বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ডের মধ্যে চলছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ মাঠে নেমেছেন এই দুই দল। গত ১৮ মার্চ সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ রেকর্ড গড়া রানের বাবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশ।

এই জয়ের ফলে ১-০ তে এদিয়ে আছে বাংলাদেশ।আজ ২০ মার্চ সোমবার সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই ম্যাচ। এক ম্যাচ হাতে রেখে বাংলাদেশ

সিরিজ জিতে চাই এই ম্যাচের জয়ের মাধ্যমে। অন্যদিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে এই ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা আনতে চান আয়ারল্যান্ড।এই ম্যাচে বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৪৯ রান সংগ্রহ করেন। আয়ারল্যান্ডএর সামনে ৩৫০

রানের লক্ষ্য। যা বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। তবে বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ এবং আয়ারল্যান্ডের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।পরিত্যক্ত এই ম্যাচে বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য

ব্যাটিং মুশফিকুর রহিম ৬০ বলে সেঞ্চুরি করেন। তবে মুশফিকের সেঞ্চুরি এবং বাংলাদেশের একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী রেকর্ডটি কোন কাজে আসেনি।বুড়ো বয়সে এসে কী তবে নিজের ব্যাটিং স্টাইলে পরিবর্তন নিয়ে

আসলেন মুশফিকুর রহিম? আগের ম্যাচেও দেখা গেছে বিধ্বংসী ইনিংস খেলতে। তবে ওই ম্যাচে ২৬ বলে ৪৪ রান করে আউট হয়ে গেলেও আজ দ্বিতীয় ম্যাচে আর মুশফিককে আউট করতে পারেননি কোনো আইরিশ বোলার।

বরং, সফরকারী আয়ারল্যান্ড বোলারদের উইকেটের চারদিকে পিটিয়ে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরি করলেন মুশফিকুর রহিম। পেছনে ফেলে দিলেন সাকিব আল হাসানের রেকর্ড।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ইনিংসের একেবারে শেষ বলে

এসে গ্রাহাম হিউমের কাছ থেকে এক রান নিয়ে সেঞ্চুরি পূরণ করেন মুশফিক। সে সঙ্গে বসে গেলেন রেকর্ডের পাতায়। ৬০ বলে ১৪ বাউন্ডারি এবং ২ ছক্কায় তিন অংকের ঘরে পৌঁছালেন তিনি। ওয়ানডে ক্রিকেটে মুশফিকের এটা ৯ম সেঞ্চুরি।

তবে ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে লিটনের কণ্ঠে ঝড়লো মুগ্ধতা। লিটন জানিয়েছেন, এমন সেঞ্চুরি তিনি আগে কখনও দেখেননি।লিটন বলেন, ‘সিরিয়াসলি অনেক ভালো লাগার (মুশফিকের সেঞ্চুরি)। সত্যি কথা বলতে আমি যতদিন ধরে

খেলছি বাংলাদেশের কোনো খেলোয়াড়ই শেষে গিয়ে একশ করেনি। যখন দল থেকে কেউ এমনভাবে একশ করে তখন দেখতেই ভালো লাগে। সিনিয়র কেউ করলে তো আরও ভালো লাগে।’
ষষ্ঠ উইকেটে মুশফিক আর তাওহিদ হৃদয়ের ব্যাট থেকে

এসেছে ১২৮ রান। এই জুটির বেশিরভাগ রানই এসেছে মুশফিকের ব্যাট থেকে। এই জুটিতে ৪৬ বলে ৭৮ রান অবদান রেখেছেন মুশফিক। বাকি ৪৮ (৩২) রান এসেছে হৃদয়ের ব্যাট থেকে।
ছয় নম্বরের পরে নেমে বাংলাদেশের হয়ে সেঞ্চুরি করেছেন

আরও পাঁচ ব্যাটার। তারা হলেন অলক কাপালি, নাসির হোসেন, মাহমুদউল্লাহ, সাব্বির রহমান ও মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে মুশফিক এই ম্যাচে নেমেছিলেন ৩৪ তম ওভারে। এতো কম ওভার বাকি রেখে খেলতে নেমে সেঞ্চুরি করতে পারেননি বাংলাদেশের আর কেউ।