মাত্র পাওয়াঃ সিদ্ধান্ত মেনে নিতে না পেরে মাঠেই ক্রিকেটারের হাতে আম্পায়ার খুন

মা’ঠে আ’ম্পা’য়া’রে’র সি’দ্ধা’ন্ত প’ছ’ন্দ না হ’লে প্রা’য় স’ম’য়’ই ক্রি’কে’টা’র’রা নি’জে’দে’র অ’স’ন্তো’ষ প্র’কা’শ ক’রে থা’কে’ন। না’না অ’ঙ্গ’ভ’ঙ্গি’তে আ’ম্পা’য়া’রে’র বি’রু’দ্ধে নি’জে’দে’র ক্ষো’ভ প্র’কা’শ ক’রে’ন তা’রা। ত’বে, এ’বা’র যে ঘ’ট’না’টি ঘ’টে’ছে সে’টি যে’ন ছা’ড়ি’য়ে

যা’বে অ’তী’তে’র স’ক’ল’কে। সি’দ্ধা’ন্ত মে’নে নি’তে না পে’রে ম্যা’চ চ’লা’কা’লী’ন স’ম’য়ে মা’ঠে’ই ক্রি’কে’টা’রে’র হা’তে খু’ন হ’ন আ’ম্পা’য়া’র। রো’ববা’র (২ এপ্রিল) ভা’র’তে’র ও’ড়ি’শা’র ক’ট’ক জে’লা’র চৌ’দ্দা’র পু’লি’শ থা’না’র অ’ন্ত’র্গত মা’হি’সা’লা’ন্দা গ্রা’মে এ’ক’টা স্থা’নী’য়

ক্রিকেট ম্যাচ চলছিল। সেই ম্যাচে আম্পায়ারের ভূমিকা পালন করছিলেন লাকি রাউত নামে ২২ বছরের এক যুবক। তিনি মাহিসালান্দা গ্রামের বাসিন্দা। ম্যাচ চলাকালীন তিনি একটা নো বলের সিদ্ধান্ত দেন। তার সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেনি

ফিল্ডিংয়ে থাকা দল। আম্পায়ারের সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে এক পর্যায়ে শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে দুই দল। বাকবিতণ্ডা চলার সময় সমতিরঞ্জন রাউত ওরফে মুন্না নামে এক যুবক হঠাৎই ছুরি দিয়ে লাকি রাউতকে আক্রমণ করেন।

একাধিক আক্রমণে মারাত্মক আহত রাউতকে স্থানীয় লোকজন দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সূত্র: ওড়িশা টিভি