বোরকা পড়ে নারীদের দাবায় অংশ নিলেন পুরুষ, অবশেষে…

প্র’তি’যো’গি’তা’টি ক’রা হ’য়ে’ছি’ল না’রী’দে’র নি’য়ে। যে’খা’নে’ অং’শ’গ্’র’হ’ণ’কা’রী’ স’ক’লে’ই থা’ক’বে’ন না’রী, চ্’যা’ম্’পি’য়’ন হ’য়ে জি’তে নি’বে’ন পু’র’স্’কা’রও। কি’ন্তু’ সে’ই টু’র্না’মে’ন্’টে ছ’দ্দ’বে’শ ধা’র’ণ ক’রে অং’শ’ নি’লে’ন এ’ক’জ’ন পু’রু’ষ। ‘প’রি’চ’য় গো’প’ন ক’র’তে স’হা’য়’তা

‘নি’য়ে’ছি’লে’ন বো’র’কা’র। ‘উ’ঠে গি’য়ে’ছি’লেন টু’র্না’মে’ন্’টে’র চ’তু’র্থ ‘রা’উ’ন্’ডে’ও। কি’ন্তু বি’ধি’বা’ম শে’ষ র’ক্ষা’ হয়’নি, শে’ষ প’র্য’ন্ত ‘ধ’রা প’ড়ে’ছে’ন তি’নি’।বি’বি’সি’র প্র’তি’বে’দ’নে ব’লা হ’য়ে’ছে বি’চি’ত্র এ ‘ঘ’ট’না’টি’ ঘ’টে’ছে গ’ত স’প্তা’হে’ আ’ফ্রি’কা’র দে’শ কে’নি’য়া’য়। ‘রা’জ’ধা’নী

‘না’ই’রো’বি’তে আ’য়ো’জ’ন ‘ক’রা হ’য়ে’ছি’ল বার্ষি’ক’ কে’নিয়া’ ও’পে’নে’র। ‘যে’টি না’রী’দে’র জ’ন্য উ’ন্মু’ক্ত ‘ছিল’। যে’খা’নে অং’শ নে’ন বি’শ্বে’র ২২টি দে’শে’র চা’র শ’তা’ধি’ক দা’বা’ড়ু।কেনি’য়া’ন দৈ’নি’ক ন্যা’শ’ন’স জা’না’য়, মি’লি’সে’ন্ট ‘আউ’য়ো’র না’ম’ধা’রী এ’ক অ’প’রি’চিত’

না’রী’ দাবা’ড়ু’র কা’ছে’ য’খ’ন ধ’রা’শা’য়ী হ’চ্ছি’লে’ন কে’নি’য়া’ন না’রী’দে’র প’রি’চি’ত স’ব মু’খ ত’খ’ন’ই আ’গ্র’হী’ হ’য়ে’ ও’ঠে ক’র্তৃ’প’ক্ষ।’ ‘বো’র’কা’ প’রে আ’সা’য় মি’লি’সে’ন্’টকে জি’জ্ঞা’সা’বা’দে’র জ’ন্য আ’লা’দা এ’ক ক’ক্ষে’ নে’য়া’ হ’লে সে’খা’নে তি’নি স্বী’কা’র ক’রে’ন, আ’দ’তে

তিনি কোনো নারী নন, একজন পুরুষ! ২৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির প্রকৃত নাম স্ট্যানলি ওমোন্ডি। তিনি কেনিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। ওই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে তিনি পরিচয় গোপন করেন তিনি। মিলিসেন্ট আওর

নামে স্ট্যানলি ওই প্রতিযোগিতায় নাম রেজিস্ট্রেশন করেন।স্ট্যানলির পরনে ছিল বোরকা, মুখে নেকাব আর চোখে চশমা। তাই তার মুখ দেখার বা তিনি যে পুরুষ, সেটা শনাক্ত করার উপায় ছিল না। একে একে জয় পেয়ে তিনি চতুর্থ রাউন্ডে

উঠে যান। ইতোমধ্যে আয়োজক ও খেলোয়াড়দের সন্দেহ হলে স্ট্যানলিকে নিয়ে প্রতিযোগিতায় শুরু হয় গুঞ্জন। শুরুর দিকে তাকে নিয়ে আয়োজকেরা দ্বিধায় ভুগছিলেন। তবে চতুর্থ রাউন্ডের খেলার আগে স্ট্যানলিকে আলাদা একটি কক্ষে

ডেকে আয়োজকরা তার আসল পরিচয় জানতে চায়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে স্ট্যানলি সবকিছু স্বীকার করে জানান, তিনি আসলে নারী নন। পরিচয় গোপন করে এ প্রতিযোগিতায় নাম লিখিয়েছেন। তিনি এমনটা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে

পড়ার খরচ জোগাতেই। নিজের এমন কর্মকাণ্ডের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।জিজ্ঞাসাবাদ শেষে স্ট্যানলিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে টুর্নামেন্ট থেকে। তিনি যেসব ম্যাচে জয় পেয়েছিলেন, সেগুলোর পয়েন্ট হেরে যাওয়া খেলোয়াড়দের দেয়া হয়।

কেনিয়ার দাবা বোর্ডের প্রেসিডেন্ট বার্নার্ড ওয়ানজালা বলেছেন স্ট্যানলি বেশ কয়েক বছরের নিষেধাজ্ঞা পেতে পারেন, তবে তাকে চিরতরে দাবা থেকে বাদ দেয়া হবে না। ইতোমধ্যে কেনিয়ার দাবা ফেডারেশন তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা

করেছে, এই ধরনের প্রতারণা মামলা এই প্রথম। মামলাটি সংস্থার শৃঙ্খলা কমিটির কাছে রেফার করা হয়েছে যা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে রায় দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।কেনিয়ার দাবা প্রেসিডেন্ট বলেন, এটি একটি চরম মামলা,

রায়ে নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। আমি আজীবন নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি অস্বীকার করছি, তবে তাকে দাবা খেলার জন্য কয়েক বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয়া হতে পারে। মামলাটি আন্তর্জাতিক ফেডারেলের কাছেও পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।