বাবরের সেঞ্চুরির সাথে রউফের ৪ উইকেট, রহস্যময় ম্যাচে বড় জয় তুললো পাকিস্তান

নি’উ’জি’ল্’যা’ন্’ডে’র বি’প’ক্ষে পাঁ’চ ম্যা’চে’র টি-টো’য়ে’ন্’টি সি’রি’জে’র দ্বি’তী’য় ম্যা’চ’টা’ও জ’য়ে রা’ঙা’লো পা’কি’স্’তান। দ্বি’তী’য় ম্যা’চে কি’উ’ই’দে’র’কে ৩৮ ‘রা’নে হা’রি’য়ে’ছে পা’কি’স্’তা’ন। বি’ধ্বং’সী’ এ’ক সে’ঞ্চু’রি’ হাঁ’কি’য়ে দ’লে’র জ’য়ে গু’রু’ত্’ব’পূ’র্ণ অ’ব’দা’ন রে’খে’ছে’ন অ’ধি’না’য়’ক বা’ব’র আ’জ’ম।

লা’হো’রে’র গা’দ্দা’ফি স্টে’ডি’য়া’মে ট’সে জি’তে আ’গে ব্যা’ট ক’রা’র সি’দ্ধা’ন্ত নে’য় পা’কি’স্’তা’ন। শু’রু থে’কে’ই মা’র’মু’খি ব্যা’টিং’ ক’র’তে থা’কে’ন ‘দু’ই ও’পে’না’র বা’ব’র আ’জ’ম এ’বং মো’হা’ম্’ম’দ রি’জ’ও”য়া’ন। পা’ও’য়া’র’প্’লে’র স’র্বো’চ্চ সু’বি’ধা কা’জে লা’গি’য়ে রা’ন তু’ল’তে থা’কে’ন ‘দ্রু’ত

গ’তি’তে। দু’জ’নে’র এ”ম’ন দা’রু’ণ ব্যা’টিং’য়ে বি’স্ফো’র’ক সূ’চ’না পা’য় পা’কি’স্’তান। পা’ও’য়া’র’প্’লে’র ৬ ও’ভা’র থে’কে রা’ন আ’সে ৫৯, উ’ই’কে’টে’র প’ত’ন হ’য়’নি ১’টি’ও।পাও’য়া’র’প্’লে শেষে’ও চ’ল”ছি’ল বা’ব’র-রি’জ’ও’য়া’নে’র তা’ণ্ড’ব। ‘দু’জ’নে’র উ’দ্বো’ধ’নী’ জু’টি’টা’ শ’ত’রা’ন ছোঁ’য়া’র দ্বা’র’প্’রা’ন্তে

‘চ’লে গে’লে’ও ছুঁ’তে আ’র পা’রে’নি অ’ব’শে’ষে, থে’মে’ছে ৯৯ রা’নে। ফি’ফ’টি হাঁ’কি’য়ে আ’উ’ট হ’য়ে’ছে’ন রি’জ’ও’য়া’ন। ৩৪ ‘ব’লে ৫০ রা’নে’র ই’নিং’স’ খে’লে সা’জ’ঘ’রে ফি’রে যা’ন তি’নি।ত’বে স’ঙ্গী রি’জ’ও’য়া’ন’কে হা’রা’লে’ও এ’ক’দ’ম’ই দ’মে যা’ন’নি বা’ব’র। ফি’ফ’টি হাঁ’কি’য়ে

দুরন্ত গতিতে ছুটছিলেন তিনি। ক্রিজের অন্য প্রান্তে অবশ্য থিতু হতে পারছিলেন না পাক ব্যাটাররা। রিজওয়ানের আউটের পরের বলেই গোল্ডেন ডাক মেরে সাজঘরে ফিরে যান তিনে নামা ফখর জামান। পরের দুই ওভারে আরও দুই উইকেট হারায় পাকিস্তান।

রানের খাতা খোলার আগেই আউট হয়ে যান সাইম আইয়ুব। অন্যদিকে ৫ বলে ২ রান করেন ইমাদ ওয়াসিম। ৯৯/০ থেকে হুট করেই ১০৫/৪ হয়ে যায় পাকিস্তান।এরপর বাবরের সাথে যোগ দেন ইফতিখার আহমেদ। শক্ত করে ধরেন দলের হাল। রানের

গতি বাড়াতে থাকেন বাবর। ইফতিখারও ছিলেন যথেষ্ট আগ্রাসী। আর দুজনের এমন আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে বিপদটাও কাটিয়ে ওঠে পাকিস্তান।ফুলেফেঁপে উঠতে থাকে দলের সংগ্রহ। আর দুরন্ত গতিতে ছুটতে থাকা পাক দলপতি বাবর ছুঁয়ে ফেলেন তিন অঙ্কের

ম্যাজিক ফিগারও। ৫৮ বলে ১০১ রানের বিস্ফোরক এক ইনিংস খেলে শেষপর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন বাবর। অন্যদিকে ইফতিখার খেলেন ১৯ বলে অপরাজিত ৩৩ রানের ক্যামিও ইনিংস। ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯২ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় পাকিস্তান।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে ২৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন ম্যাট হেনরি। এছাড়া ১টি করে উইকেট শিকার করেন জেমস নিশাম এবং রাচিন রবীন্দ্র।বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নামলেও তাড়াহুড়ার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে। দলীয় অধিনায়ক

টম ল্যাথাম এবং চ্যাড বোস মিলে সাবধানী ব্যাটিংয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন দলের ইনিংস। পাওয়ারপ্লের প্রথম ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ৪৩ রান তোলে কিউইরা।ল্যাথাম কিংবা চ্যাড – কেউই অবশ্য খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। ২০ বলে ১৯ রানের

ইনিংস খেলে দলের ৪৪ রানের মাথায় আউট হন ল্যাথাম। অন্যদিকে চ্যাড করেন ২৪ বলে ২৬ রান, আউট হন পরের ওভারে।এরপর চারে নামা মার্ক চাপম্যান দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন। এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে যাচ্ছিলেন চাপম্যান। তবে তাতে

লাভের লাভ কিছুই হয়নি। কারণ ক্রিজের অপর প্রান্তে চলছিল ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিল।একদম দাঁড়াতেই পারছিলেন না কেউ। ক্রিজে এসে সাথে সাথেই আউট হয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন সাজঘরে। আর এমন একের পর এক উইকেটের পতনের ফলে

কিউইরাও দেখেনি জয়ের স্বপ্নে।শেষপর্যন্ত অবশ্য লড়াই চালিয়ে গেছেন চাপম্যান। দারুণ লড়াকু একটি ফিফটি হাঁকিয়েছেন তিনি। শেষমেশ ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রানে থামে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস, ৩৮ রানে জয়লাভ করে পাকিস্তান। ৪০

বলে ৬৫ রানের লড়াকু এক ইনিংস খেলে শেষপর্যন্ত টিকে ছিলেন চাপম্যান।২ ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করে ফেলার হাতছানি পাকিস্তানের সামনে।পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে ২৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন হারিস রউফ। এছাড়া ১টি

করে উইকেট নেন জামান খান, শাদাব খান এবং ইমাদ ওয়াসিম।এই জয়ের ফলে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল পাকিস্তান। পরের ম্যাচে জিতলেই নিশ্চিত হবে সিরিজ জয়।