বঙ্গবাজার ট্রাজেডি, চোর থেকে মালামাল বাঁচাতে ভরসা ছিল মসজিদ

ব’ঙ্গ’বা’জা’র য’খ’ন চো’খে’র সা’ম’নে আ’গু’নে পু’ড়’ছি’ল ত’খ’ন উ’ত্ত’র পা’শে’র ম’হা’ন’গ’র ও আ’ল’ম মা’র্কে’ট দো’কা’নি’রা নি’জে’দে’র মা’লা’মা’ল বে’র ক’র’তে চে’ষ্টা ক’র’ছি’লে’ন যা’তে কি’ছু প’রি’মা’ণ স’ম্ব’ল যে’ন বাঁ’চা’নো যা’য়। এ’ই স’ম’য় ব্য’ব’সা’য়ী’রা এ’ক’দি’কে মা’লা’মা’ল

বে’র ক’রে আ’বা’র ফি’রে এ’সে দে’খে আ’গে’র রে’খে যা’ও’য়া মা’লা’মা’ল আ’র’ নে’ই, কে’উ চু’ড়ি ক’রে নি’য়ে গে’ছে এ’ম’নি আ’হা”জা’রি ক’ণ্ঠে ক’থা’গু’লো ব’ল’ছি’লে’ন ম’হা’ন’গ’র মা’র্কে’টে নি’জে’র ও ভা’ই’স’হ ভা’তি’জা’দে’র মি’লে প্রা’য় ১৬’টি দো’কা’ন চা’লা’নো শ’রী’য়তু’ল্যাহ

সরদার। পুলিশ ও ফায়ারম্যানদের আগুন নেভানো কাজের পাশাপাশি কিছু সময় পর পর পাশের রেলওয়ে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিচ্ছিল যে, “আল্লাহ’র দোহায় লাগে আপনারা কাপড় চুরি কইরেন না”শরীয়তুল্যাহ বলেন, প্রথমে কিছু

মালামাল বাইরে রাখছিলাম পরে আইসা দেহি হেডি নাই পরে কি করমু সব মাল টাইন্না মসজিদে ঢুকাইছি। আর দোকানের সব মালামাল বের করাও সম্ভব হয়নি।তিনি আরো বলেন, আমার ভাই আমার ও আমার ভাতিজাদের মিলে মহানগর মার্কেটে

১,২,৫,৬,৭,৮,৯ সিরিয়াল সহ ১৬টি দোকান ছিল সব পুইড়া শেষ। আমি যখন খবর পাই তহন আমি বাসায় ছিলাম ফোন পেয়ে ছুইট্টা গিয়া দেহি সব আগুনে লাল হয়ে গেছে। প্রতিটি দোকানে কমপক্ষে ১২ থেকে ১৫ লাখের উপরে মালামাল ছিল ব

লে জানান তিনি।আরেক দোকানদার ফাহিম বলেন, আমার ও আমার ফুফাতো ভাইয়ের মহানগর মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ২টা দোকান ছিল, দোকানের নাম বিলাস দোকান নং ১৮ আমাদের বাসা কেরানীগঞ্জ, সকাল ৮ টায় খবর পেয়ে ছুটে

গেছিলাম যেয়ে দেখি বঙ্গবাজার আর নাই। মাত্র ২০ মিনিটে মনে হয় মাত্র ৩০ শতাংশ মালামাল বের করছি এরপর চারিদিকে আগুন ছড়িয়ে পড়ছিল বিকট শব্দ হচ্ছিলো তাই বের করতে পারিনি এর ভিতর কিছু মাল চুরিও হচ্ছিল তাই সবাই মিলে

মসজিদে মালামাল টেনে ঢুকাইছি।সরেজমিনে দেখা গেছে বঙ্গবাজারের রেলওয়ে মসজিদের নিচ তলা ও উপর তলা, মসজিদের গেটে, মসজিদ গলিতে ব্যবসায়ীরা চোর থেকে বাঁচতে নিজেদের মালামাল সেখানে রেখে সেখানেই বসে পাহাড়া দিচ্ছেন।

৪ এপ্রিল সকালে লাগা আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে বঙ্গবাজারের তিনটি মার্কেট, এতে প্রায় ৫ হাজার দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আজকের ঘটে যাওয়া আগুনের ঘটনা ইতিহাসে স্মরণকালের ভয়াবহ এক ট্রাজেডি হয়ে থাকবে।