পারলেন না এমবাপে-রোনাল্ডো-নেইমাররা, বর্ষসেরা ফুটবলার হলেন লিওনেল মেসি

লাতিন আমেরিকার পরাশক্তি আর্জেন্টিনার কাছে ২০২২ সালটা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। দীর্ঘ তিন যুগের অপেক্ষার পর গত বছরের শেষ দিকেই যে বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফির আক্ষেপ ঘুচেছে আলবিসেলেস্তেদের। যেখানে দলকে সামনে

থেকে নেতৃত্ব দিয়ে শিরোপা জিতিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি।ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য সব শিরোপা জিতেছেন, একের পর এক সাফল্যে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। তার একমাত্র খেদ ছিল বিশ্বকাপের বহু আরাধ্য

সোনালি ট্রফিটা। ২০১৪ বিশ্বকাপে ট্রফিটার খুব কাছাকাছি গিয়েও মেসিকে ফিরতে হয়েছিল খালি হাতে।তবে ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বেলায় এসে ঈশ্বর হতাশ করেননি ফুটবল জাদুকরকে। কাতার বিশ্বকাপে নিজে যেমন দুরন্ত ছন্দে থেকেছেন,

দলকেও নিয়ে গেছেন সাফল্যের শিখড়ে। হাত উঁচিয়ে বিশ্বকে দেখিয়েছেন প্রাপ্তির খাতায় বাকি নেই আর কিছুই।দারুণ ছন্দে থেকে দলকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে ফিফার বর্ষসেরা দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন মেসি। চলতি বছরের ব্যালন ডি’

অরের দৌড়ে ফেবারিট হিসেবেও দেখা হচ্ছে পিএসজির এই তারকাকে। এবার নিজের সাফল্যের মুকুটে আরেকটি পালক যুক্ত হলো তার।ফুটবল ইতিহাস ও পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করে জুরিখ ভিত্তিক সংস্থা আইএফএফএইচএস-এর কনমেবল

তথা লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন মেসি। এমন খবর জানিয়েছে আর্জেন্টিনার খবরাখবর দেওয়া ফুটবল ব্লগ মুন্দো আলবিসেলেস্তে।এদিকে, বর্ষসেরা ফুটবলার ছাড়াও একাদশও ঘোষণা করেছে সংস্থাটি।

সেখানেও প্রত্যাশিতভাবে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার আধিপত্য। বিশ্বকাপজয়ী দলের গোলরক্ষক, যিনি আবার বিশ্বকাপের গোল্ডেন গ্লাভসের পুরস্কারও জিতেছেন। সেই ‘বাজপাখি’খ্যাত এমিলিয়ানো মার্টিনেজ আছেন সেরা একাদশে।

এছাড়া রক্ষণদুর্গে আছেন নিকোলাস ওতামেন্দি, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোরা। আর মধ্যমাঠে আছেন রদ্রিগো ডি পল ও তার সঙ্গে আছেন বিশ্বকাপের সেরা উদীয়মান তারকা এনজো ফার্নান্দেজ।
পাশাপাশি অ্যাটাকে যথারীতি

আছেন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসি ও তরুণ জুলিয়ান আলভারেজ। অন্যদিকে, ব্রাজিল থেকে একাদশে সুযোগ পেয়েছেন নেইমার, ক্যাসেমিরো, থিয়াগো সিলভা ও ভিনিসিয়াস জুনিয়র।