পাঞ্জাব কিংসের হয়ে মাঠ মাতানো কে এই ‘রহস্যময়ী’ তরুণী

চ’ল’তি ব’ছ’রে’র আ’ই’পি’এ’লে’ প্র’থ’ম থে’কে’ই হোঁ’চ’ট খা’চ্ছে’ পা’ঞ্জা’ব কিং’স। চা’র’টি ম্যা’চে হে’রে’ছে তা’রা। গ’ত বৃ’হ’স্’প’তি’বা’র শি’খ’র ধা’ও’য়া’নে’র গু’জ’রা’ট টা’ই’টা’নসে”র কা’ছে হে’রে’ছে। ত’বে দ’লে’র স’ঙ্গে যু’ক্ত এ’ক ত’রু’ণী প্র’থ’ম থে’কেই’ ন’জ’র কে’ড়ে’ছে’ন। সো’শ্যা’ল ‘মি’ডি’য়া’য়

তি’নি প’রি’চি’ত ‘হ’য়ে’ছে’ন ‘র’হ’স্’য’ম’য়ী’ না’মে। কি’ন্তু স’বা’র আ’গ্র’হে’র কে’ন্দ্র’বি’ন্’দুতে এ’ই র’হ’স্”য’ম’য়ী ত’রু’ণী। স’বা’ই জা’ন’তে চা’য় কে তি’নি?জা’না গে’ছে তা’র না’ম শ’শী ধি’মা’ন। তা’কে পা’ঞ্জা’ব দ’লে’র স’ঙ্গে প্রা’য়’ই দে’খা যা’য়। দ’লে’র হ’য়ে সো’শ্যা’ল ‘মি’ডি”য়া’য় বে’শ স’র’ব

শ’শী। পা’ঞ্জা’ব য’খ’ন খে’ল’তে না’মে, মা’ঠে’র পা’শে উ’ল্লা’সে’ ফে’টে’ প’ড়ে’ন শ’শী। দ’লে’র সো’শ্যা’ল পে’জে স’ঞ্চা’ল’না ক’রা, ম্যা’চে’র আ’গে এ’বং প’রে আ’প’ডে’ট দে’ও’য়া বা’দ যা’য় না কি’ছু’ই। দ’লে’র শ’ক্তি কী, দু’র্ব’ল’তা’ই বা কী, তা’ও অ’ক’প’টে জা’না’ন শ’শী।

পা’ঞ্জা’ব কিংস’ এ’বং ‘দ’লে’র ক্রি’কে’টা’র’দে’র ছো’ট’খা’ট ম’জা’র ভি’ডি’ও, রি’ল স’মা’জ’মা’ধ্’য’মে পো’স্ট ক’রে থা’কে’ন শ’শী। ‘খে’লা’র শে’ষে ক্রি’কে’টা’র’দে’র সা’ক্ষা’ৎ’কা’র’ও ‘নে’ন। ”সে’ই ভিডি”ও পো’স্ট’ ক”রে’ন সো’শ্যা’ল মি’ডি’য়া’য়। শ’শী’র প’রি’চ’য় জা’ন’তে বে’শ উ’ৎ’সু’ক নে’টি’জে’ন’রা’।

অনর্গল বলতে পারেন পাঞ্জাবি ভাষা। যার ফলে কিংস ভক্তদের মধ্যে দারুণ জনপ্রিয় শশী।চণ্ডীগড়ের বাসিন্দা শশী একজন ফার্মা বিজ্ঞানী। ২০২০ সাল থেকে মুম্বাইয়ে থাকেন তিনি। পেশায় এক জন কৌতুকশিল্পী। মেডিক্যাল সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা করেছেন

শশী। ফার্মাসি (ওষুধ প্রস্তুত) নিয়ে গবেষণার কাজে ছিলেন। যদিও সেই কাজ শশীর খুব একটা পছন্দ ছিল না। মানুষজনকে হাসাতে পারা, মজা করতে পারা এই গুণটাকেই কাজে লাগান শশী। হয়ে যান কৌতুকশিল্পী। চার বছর আগে কৌতুকশিল্পী হিসেবে

হাতেখড়ি হয় তার। সোশ্যাল মিডিয়ায় কৌতুকের ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। ধীরে ধীরে ভাইরাল হতে থাকে সেই ভিডিও। জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে শশীর। বিভিন্ন শহরে ছুটে গিয়ে অনুষ্ঠান করতে থাকেন। দিল্লি, জয়পুর, গুরুগ্রামে একাধিক অনুষ্ঠান করেছেন।

এই কৌতুকের ভিডিওর জন্য বিতর্কেও জড়িয়েছিলেন শশী। সেই ভিডিও ইউটিউবে পোস্ট করেছিলেন তিনি। বিষয় ছিল ‘ডেটিং এবং ভারতীয় অভিভাবক’।সেই ভিডিয়োতে শশী বলেছিলেন, আমি কখনওই মায়ের পছন্দের ব্যক্তিকে বিয়ে করব না।

কারণ রোজ নিজের বাবাকে দেখছি। মায়ের যে কত বাজে পছন্দ, দেখলেই বোঝা যায়।গত বছর শশীর এই মন্তব্য নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এক নেটিজেন লিখেন, কৌতুকের নামে যা তা চলছে। অন্য আরেকজন লিখেন, এ সব বেয়াদবি। একজন

আবার লিখে, কেউ এই ভিডিওটা ওর বাবাকে দেখান।যদিও সেই ভিডিওর কারণেই পরিচিত হয়েছিলেন শশী। ২০২২ সালেই পাঞ্জাব কিংসের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। সেই থেকে দলের প্রচারের কাজে রয়েছেন তিনি।প্রতি বছরই আইপিএলে নজর কাড়েন

কোনও না কোনও মহিলা। সেই মন্দিরা বেদীর থেকে শুরু হয়েছিল ‘ট্রেন্ড’। কেউ আবার ‘রহস্যময়ী’র তকমা পান। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাব্য মারান ‘জাতীয় ক্রাশ’-এর তকমা পেয়েছিলেন।২০২১ সালের আইপিএলে শিরোনামে এসেছিলেন

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ম্যাসাজ থেরাপিস্ট নবনীতা গৌতম। আইপিএলের ম্যাচ চলাকালীন দলের পেসার কাইল জেমিসন খুনসুঁটি করছিলেন তার সঙ্গে। ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল সেই ছবি।গত বছর থেকে শিরোনামে পাঞ্জাব কিংসের শশী। এবার তার জনপ্রিয়তা আরও কিছুটা বেড়েছে, সে কথা মেনে নিয়েছেন পাঞ্জাব কিংস ইলেভেনের ভক্তরাও।