পাক-ভারত ক্রিকেট চালু করতে বিশেষ একজনের কাছে আবেদন করবেন আফ্রিদি

মুম্বাই হামলার পর থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজে দেখা যায়নি ভারতকে। এরপর কালেভদ্রে যতবারই দেখা হয়েছে আইসিসি ও এসিসির বিভিন্ন ইভেন্টে। দু’দেশের রাজনৈতিক রেষারেষি এমন পর্যায়ে যে সহজেই এ

দূরত্ব কমবে তার সম্ভাবনা নেই। এরমধ্যে নতুন করে তৈরি হয়েছে আরেক জটিলতা। চলতি বছর এশিয়া কাপের আয়োজক পাকিস্তান। কিন্তু সেখানে ভারত খেলতে যাবে না বলে আগেই জানিয়েছে দেশটি। পাকিস্তানও হুমকি দিয়ে রেখেছে

ভারত না গেলে তারাও খেলতে যাবে না ওয়ানডে বিশ্বকাপ। এই যখন অবস্থা তখন ভারতের দাবি এশিয়া কাপের ভেন্যুই পরিবর্তন হতে পারে কিংবা ভারতের ম্যাচগুলো আয়োজন হতে পারে অন্য কোনও ভেন্যুতে। এমতাবস্থায় পাকিস্তানের সাবেক

অধিনায়ক ও প্রধান নির্বাচক শহীদ আফ্রিদি বিশেষ একজনের কাছে এ দু’দেশের ক্রিকেটা চালু রাখতে আবেদন করতে চান। তিনি হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদী। সাবেকই এই ক্রিকেটার মনে করেন দুই দেশের মধ্যে ক্রিকেট হতে

দেয়া উচিত। সেই কারণেই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করবেন তিনি।ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ক্ষমতাবান বলে মনে করেন আফ্রিদি। পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার মনে করেন ক্ষমতা থাকলে কিছু দায়িত্বও থাকে। আফ্রিদি বলেন,

আমি মোদী শাহাবের কাছে আবেদন করব যাতে ক্রিকেট হতে পারে দুই দলের মধ্যে। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, আমি বলব না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের ক্ষমতা নেই। কিন্তু কিছু জায়গায় ভারতীয় বোর্ড এগিয়ে।আফ্রিদি মনে করেন ক্রিকেটই

পারে দুই দেশকে জুড়ে রাখতে। ভারতীয় দলের অনেক ক্রিকেটারের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব রয়েছে বলেও জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক। তিনি বলেন, ভারতীয় দলে এখনও আমার অনেক বন্ধু রয়েছে। দেখা হলে আমরা আড্ডা দিই। এই

তো আগের দিন সুরেশ রায়নার সঙ্গে দেখা হয়েছিল। ওর কাছে আমি একটা ব্যাট চেয়েছিলাম। ও ব্যাট দিল।পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না বলেই মনে করছেন আফ্রিদি। তিনি বলেন, বেশ কিছু আন্তর্জাতিক দল পাকিস্তানে

এসে সিরিজ খেলে গেল। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আর প্রশ্ন উঠবে বলে মনে হয় না। ভারত থেকে আমরা বেশ কয়েক বার হুঁশিয়ারি পেয়েছি, কিন্তু দুই দেশের সরকার যদি রাজি থাকে তা হলে সিরিজ ঠিক হবে। কিছু মানুষ চান ভারত এবং পাকিস্তানের

মধ্যে ক্রিকেট যাতে খেলাই না হয়।এ বছর এশিয়া কাপ হওয়ার কথা পাকিস্তানে। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব জয় শাহ জানিয়ে দেন যে এই প্রতিযোগিতা অন্য দেশে হবে। পাকিস্তানে খেলতে যাবে না ভারত। তাতেই রেগে যায় পাকিস্তান। পিসিবি হুঁশিয়ারি দেয় যে, ভারত যদি এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তান না যায়, তা হলে তারাও বিশ্বকাপ খেলার জন্য ভারতে যাবে না।