দু’বেলা খাবারও জুটত না, করেছেন ঝাড়ুদারের কাজ, এখন জয়ের নায়ক!

ত’বে স্বী’কৃ’ত টি–টো’য়ে’ন্টি’তে এ’ত’দি’ন যা কে’উ দে’খে’নি, সে’টি’ই ক’রে দে’খা’লে’ন ক’ল’কা’তা না’ই’ট রা’ই’ডা’র্সে’র রিং’কু সিং। গু’জ’রা’ট টা’ই’টা’ন্সে’র বি’প’ক্ষে ম্যা’চে’র শে’ষ ৫ ব’লে ৫ ছ’ক্কা মে’রে ক’ল’কা’তা’কে ৩ উ’ই’কে’টে’র অ’বি’শ্বা’স্য এ’ক জ’য় এ’নে দি’লে’ন। ক’মে’ন্ট্রি’ব’ক্সে

ক্যা’রি’বী’য় ধা’রা’ভা’ষ্য’কা’র ই’য়া’ন বি’শ’প থা’ক’লে নি’শ্চি’ত ব’ল’তে’ন, রিং’কু সিং-রি’মে’ম্বার দ্য নে’ই’ম। ত’বে ক’ল’কা’তা’র স’ম’র্থ’ক তো ব’টে’ই ক্রি’কে’ট ফ্যা’ন’দে’র হৃ’দ’য়ে’ই যে গেঁ’থে গে’ল না’ম’টা। অ’ব’শ্য প্রা’য় অ’সা’ধ্য স’মী’ক’র’ণ মে’লা’নো’র আ’গে জী’ব’নে’র অং’কে’ও অ’নে’ক

ক’ঠি’ন স’মী’ক’র’ণ মে’লা’তে হ’য়ে’ছে রিং’কু সিং’কে। আ’লী’গ’ড়ে’র এ’ক নি’ম্ন’ম’ধ্যবি’ত্ত পরি’বা’রের স’ন্তা’ন। ‘নু’ন আন’তে পা’ন্তা ফু’রো’য়’দ’শা। রিং’কু’র বা’বা খা’ন’চাঁ’দ সিং’হ গ্যা’সে’র সি’লি’ন্ডা’র বি’লি’র কা’জ ক’র’তে’ন। ছো’ট দু’টি কা’ম’রা’য় চা’র ভা’ই-বো’ন এ’বং মা-বা’বা’কে

নি’য়ে ঠা’সা’ঠা’সি ক’রে থা’ক’তে’ন। দু’বে’লা ঠি’ক’ম’তো খা’বা’রও জু’টত না। ক্রি’কে’টার হ’ও’য়া’র স্ব’প্ন ছো’ট’বে’লা থে’কে’ই। কি’ন্তু অ’ভা’বে’র সং’সা’রে ক্রি’কে’টা’র হ’ও’য়া’র স্ব’প্ন দে’খা’ও বি’লা’সি’তা। রিং’কু ‘সিং’হ ত’বুও স্ব’প্ন দে’খে’ছে’ন, সে’ই স্ব’প্ন’ স’ত্যি’ ক’রা’র

যাবতীয় চেষ্টাও করেছেন। দিল্লির একটা টুর্নামেন্টে ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট হন রিংকু, পুরস্কার হিসেবে পান একটা মোটরবাইক। বাবার হাতে তুলে দেন বাইকের চাবি। এরপর সিলিন্ডার সরবরাহের কাজটা আরও সহজ হয় তার।