চ্যাম্পিয়ন্স লিগে থেকে বিদায়ের জন্য সরাসরি যাকে দায়ী করছেন পিএসজির কোচ

গতকাল রাতে বাহা বায়ার্নের ঘরের মাঠে নাস্তানাবুদ হয় ফরাসি ক্লাব পিএসজি। এদিন বায়ার্নের ঘরের মাঠে পিএসজি পাক্কা দুই গোল খায়। উল্টে একটাও গোল করতে পারে না তারা। এই হারে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে থেকে বিদায় নিয়ে হয় ফুটবল

বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ক্লাব পিএসজি।এই আসরে সেই পুরোনো গল্পকে নতুন রূপে ফিরিয়ে আনল মেসিদের ক্লাব পিএসজির। ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, সার্জিও রামোসদের নিয়ে গড়া

ফরাসি জায়ান্টদের শিরোপা অধরাই রইল। আসরের অন্যতম আত্মবিশ্বাসী দল বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে টানা দুই মৌসুমে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিল তারা। ইউরোপসেরার মঞ্চে এমন ব্যর্থতার জন্য পিএসজি কোচ ক্রিস্তফ গালতিয়ের

দায়ী করছেন অন্য কোন কিছু। সেটা হল , চোটের কারণে দুই লেগে গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারদের না পাওয়া।ঘরের মাঠে প্রথম লেগের চোট নিয়ে নেমেছিলেন ফরাসি তারকা মিডফিল্ডার এমবাপ্পে। ফরাসি তারকার মতো সে ম্যাচে মিডফিল্ডার

মার্কো ভেরাত্তিও ফেরেন চোট থেকে। দ্বিতীয় লেগের আগে এ সমস্যা বেড়ে যায় আরও এক ধাপ। কারণ, চোটের কারণে পুরো মৌসুমের জন্য ছিটকে গেছেন নেইমার ও প্রেসনেল কিমপেম্বে। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথম একাদশের

কয়েকজন ফুটবলারকে না পাওয়াকে হারের জন্য কারণ হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন গালতিয়ের।ম্যাচ শেষে পিএসজি কোচ বলেছেন, ‘যখন আমরা সেরা ফুটবলটা খেলছিলাম, তখন গোল করতে পারিনি। এরপর আমরা হাস্যকর একটা

গোল খেলাম। দুই লেগেই আমরা গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফুটবলারকে পাইনি। মূলত এটাই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। এমন ফল হতাশাজনক, কিন্তু আমাদের হজম করে নিতে হবে।’মেসি, নেইমার ও এমবাপ্পেকে নিয়ে তৈরি করা পিএসজির বর্তমান

প্রকল্প পুরোপুরি ব্যর্থ। তাই ফরাসি চ্যাম্পিয়নদের স্কোয়াডে আসতে পারে বড় ধরনের পরিবর্তন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, নতুন প্রকল্পে থাকবেন কোচ ক্রিস্তফ গালতিয়ের?তাই পিএসজিতে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও কথা বলেন তিনি, ‘এ বিষয়ে এখনই

কথা বলা ঠিক হবে না। মূলত আমার থাকা-না থাকা নির্ভর করে পিএসজি ম্যানেজমেন্ট ও প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের ওপর। স্বাভাবিকভাবেই হতাশা আছে, কারণ এই টুর্নামেন্ট থেকে ক্লাবের চাওয়াটাই বেশি ছিল।’