চরম দুঃসংবাদঃ আর বেঁচে নেই ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

বি’শি’ষ্ট মু’ক্তি’যো’দ্ধা ও গ’ণ’স্বা’স্থ্য কে’ন্দ্রে’র প্র’তি’ষ্ঠা’তা ড. জা’ফ’রু’ল্লা’হ চৌধু’রী আ’র নে’ই। ই’ন্না লি’ল্লা’হি ও’য়া ই’ন্না ই’লাই’হি রা’জি’উ’ন। শা’রী’রি’ক অ’ব’স্থা’র উ’ন্ন’তি না হও’য়া’য় ক’য়ে’ক’দি’ন ধ’রে ভে’ন্টি’লে’শ’নে রা’খা হ’য়ে’ছিল তা’কে।

৮২ ব’ছ’র ব’য়’সি ডা. জা’ফ’রু’ল্লা’হ কি’ড’নি জ’টি’লতা’য় ভু’গ’ছি’লে’ন ব’হু ব’ছ’র ধ’রে। ক’য়ে’ক দি’ন আ’গে তা’র বা’র্ধ’ক্য’নি’ত জ’টিল’তাগু’লো খা’রা’পে’র দি’কে যা’য়। এ’মন অ’ব’স্থা’য় তা’কে গ’ত বু’ধ’বা’র গু’রু’ত’র অ’সু’স্থ অ’ব’স্থায় রা’জ’ধা’নী’র ধা’ন’ম’ন্ডি’র

গ’ণস্বা’স্থ্য ন’গ’র হাস’পা’তা’লে ভ’র্তি ক’রা হ’য়। মৃ’ত্যু’র আ’গ প’র্য’ন্ত তি’নি সে’খা’নে’ই চি’কি’ৎসা’ধী’ন ছি’লে’ন। গ’ত রো’ব’বা’র তা’র চি’কি’ৎ’সা’য় এ’ক’টি মে’ডি’কে’ল বো’র্ড গ’ঠ”ন ক’রা হ’য়। এ’র প্র’ধা’ন সম’ন্বয়’কা’রী ছি’লে’ন অ’ধ্যা’প’ক ব্রি’গে’ডি’য়া’র জে’না’রে’ল (অব.) মা’মু’ন মো’স্তা’ফী।

১৯৭১ সালে জাফরুল্লাহ চৌধুরী যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরে ভারতের আগরতলায় গেরিলা প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে তা পরিচালনা করেন।মুক্তিযুদ্ধের পর সেই হাসপাতালের নামেই

একটি প্রতিষ্ঠান গড়তে চেয়েছিলেন। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে নাম ঠিক করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।হাসপাতালের পাশাপাশি ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানিও গড়েছেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ১৯৮২ সালে দেশে প্রথমবারের মতো ঔষধ নীতি প্রণয়নেও তার ভূমিকা ছিল।