চরম দুঃসংবাদঃ আইপিএলের মাঝেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার

ভা’র’তী’য় ক্রি’কে’টে ই’তি হ’য়ে গে’ল এ’ক’টি অ’ধ্যা’য়ে’র। প্র’য়া’ত সে’লি’ম দু’রা’নি। ভা’র’তী’য় ক্রি’কে’ট ই’তি’হা’সে এ’ম’ন কি’ছু খে’লো’য়া’ড় র’য়ে’ছে’ন,যা’রা নি’জে’দে’র’কে’ও ছা’পি’য়ে গি’য়ে’ছি’লে’ন, তা’র ম’ধ্যে সে’লি’ম দু’রা’নি অ’ন্য’ত’ম। ভা’র’তে’র প্রা’ক্ত’ন ক্রি’কে’টা’র সে’লি’ম দু’রা’নি

ভা’র’তী’য় দ’লে’র হ’য়ে প্রা’য় ১৪ ব’ছ’র প্র”তি’নি’ধি’ত্ব ক’রে’ছে’ন।সে’লি’ম দু’রা’নি’র জ’ন্ম আ’ফ’গা’নি’স্তা’নে’র রা’জ’ধা’নী কা’বু’লে।তি’নি ১৯৩৪ সা’লে’র ১১ ডি’সে’ম্ব’র জ’ন্ম’গ্র’হ’ণ ক’রে’ছি’লেন। ত’বে তাঁ’র বে’ড়ে ও’ঠা মূ’ল’ত গু’জ’রা’টে’র জা’ম’ন’গ’রে। এ’খা’নে’ই তাঁ’র ক্রি’কে’টে হা’তেখ’ড়ি।

১৯৬০ সালে ভারতের হয়ে ডেবিউ হয়ে সেলিম দুরানির। জাতীয় দলের হয়ে ১৯৭৩ পর্যন্ত খেলেন তিনি।বর্ণময় ক্রিকেট জীবন তাঁর। ১৯৬০ সালে মুম্বইয়ে টেস্ট অভিষেক। ১৯৬১-৬২ মরশুমে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়ে অবদান

ছিল বাঁ-হাতি স্পিনারের। শেষ ২ টেস্টে নিয়েছিলেন ১৮ উইকেট।১৯৭১ সালে পোর্ট অফ স্পেনে ভারতের জয়েও রেখেছিলেন অবদান। আউট করেছিলেন ক্লাইভ লয়েড ও গ্যারি সোবার্সকে। তাঁর অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের হাত ধরে পরের বছর মধ্যাঞ্চল

দলীপ ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।পশ্চিমাঞ্চলের বিরুদ্ধে ফাইনালে বল হাতে নিয়েছিলেন ৯ উইকেট। আর ব্যাট হাতে রান তাড়া করার সময়ে নেতৃত্ব দিয়ে অপরাজিত থেকেছিলেন ৮৩ রানে।চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছিল, এটা দলীপ ট্রফি, নাকি দুরানি

ট্রফি!টেস্ট দলে একবার তাঁকে বাদ দেওয়ায় স্লোগান উঠেছিল, ‘নো দুরানি, নো টেস্ট’। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পরের টেস্টে তাঁকে ডাকতে বাধ্য হয়েছিলেন নির্বাচকেরা।এমনই ছিল তাঁর জনপ্রিয়তা। আর ছিল গ্ল্যামার। জনতার দাবিতে, ৬-৭

বার ছক্কা হাঁকানোর কথা অতীতে বহু বার বলেছিলেন দুরানি। যা তাঁকে করে তুলেছিল বিখ্যাত। তবে তার অনেক আগে, ছয়ের দশকের গোড়াতেই প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে পেয়েছিলেন অর্জুন সম্মান।

২৯ টেস্টে এক সেঞ্চুরি সহ ১২০২ রান আর ৭৫ উইকেটের পরিসংখ্যানে তাই তাঁকে মাপা শুধু কঠিনই নয়, আদতে অসম্ভবই। ক্রিকেট-চেতনায় প্রভাব ফেলার ব্যাপারটাই যে পরিসংখ্যানে অনুপস্থিত!