এবার রেফারি নিজেই ফাঁস করলেন আসল রহস্য, এমবাপের গোল অবৈধ ছিল

গত রবিবার শতাব্দী সেরা ফাইনাল দেখেছে ফুটবল বিশ্ব। সেই ম্যাচের হ্যাংওভার যেন এখনও কাটার নয়। নির্ধারিত সময়ে ২-২ থাকায় খেলা গড়িয়েছিল অতিরিক্ত সময়ে। সেখানে মেসি ৩-২ করলেও এমবাপে পেনাল্টি থেকে

গোল করে সমতা ফিরিয়ে খেলা নিয়ে যান টাইব্রেকারে। যেখানে এমি মার্টিনেজের হিরোগিরিতে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ করে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা।বিতর্কবিদ্ধ সেই ম্যাচের পর ফ্রান্সের তরফে অভিযোগ

করা হয়, মেসির দ্বিতীয় গোলের সময়ে মাঠে আর্জেন্টিনার জার্সিতে দু-জন বেশি প্লেয়ার (পরিবর্ত) ঢুকে পড়েছিল। এমনকি ফরাসি সংবাদমাধ্যম লা ইকুঁয়েপ রেফারি মার্সিনিয়াক-কে ঠুকে প্রতিবেদন বের করে যার শিরোনাম,

“কেন আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোল দেওয়া উচিত হয়নি!” এমনকি রেফারির এই ভুল দেখিয়ে ২ লাখের বেশি ফরাসির সই সম্বলিত পিটিশন জমা দেওয়া হয়েছে রি-ম্যাচের দাবিতে।এমন বিক্ষোভের জবাব দিলেন এবার ফাইনাল

ম্যাচের সেই রেফারি। মার্সিনিয়াক পোল্যান্ডে ফিরে সাংবাদিক সম্মেলনে এমন প্রশ্নের মুখে পড়তেই নিজের ফোন পকেট থেকে বের করে ছবি দেখিয়ে বলে দিলেন, “ফরাসিরা তো এই ছবির কথা বলছে না যে, এমবাপে যখন গোল

করল তখন পিচে সাতজন ফ্রেঞ্চ ফুটবলার ছিল।”সাংবাদিক জ্যাক লোয়ির বক্তব্য অনুযায়ী, এমবাপের গোল করার সময়ে ছবিটি তোলা হয়েছিল। তবে এমবাপের কোন গোলের কথা বোঝাতে চেয়েছেন পোলিশ রেফারি মার্সিনিয়াক,

তা স্পষ্ট নয়। তাঁর দাবি অনুযায়ী, মেসির গোল বাতিল করার দাবি যদি ওঠে একই হিসাবে এমবাপেরও গোল ক্যানসেল করা উচিত। সেক্ষেত্রে একই দোষে দুষ্ট দুজনের গোল-ই।ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী, “কোনও গোল করার

সময়ে রেফারি যদি বুঝতে পারেন সেই দলের অতিরিক্ত ফুটবলার, পরিবর্ত ফুটবলার, সাপোর্ট স্টাফ মাঠের মধ্যে উপস্থিত রয়েছে, তাহলে রেফারিকে গোল বাতিল করতে হবে। অতিরিক্ত সেই ব্যক্তিকে মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দিতে

হবে। খেলা শুরু করতে হবে ফ্রিকিক থেকে।”এমনিতে জাইমন মার্সিনিয়াকের ফাইনাল ম্যাচের রেফারিং প্রশংসা কুড়িয়েছে। এমন অবস্থায় ফরাসিদের ইন্ধনে নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়ল তাঁর ভূমিকা। যাতে তিনি মুখ খুলতে বাধ্য হলেন।