এটা আমার বাবার চেয়ার না: কাজী সালাউদ্দিন

এ’ক যু’গে’র বে’শি স’ম’য় ধ’রে ‘বাং’লা’দে’শ ফু’ট’ব’ল ফে’ডা’রে’শ’নে’র (বাফুফে) স’ভা’প’তি’র দা’য়ি’ত্বে আ’ছে’ন কা’জী সা’লা’উ’দ্দি’ন। এ’ই স’ম’য়’কা’লে ফু’ট’ব’লে’র উ’ন্ন’য়’নে’র জ’ন্য নি’জে’র স’র্বো’চ্চ’টা দি’য়ে’ই চে’ষ্টা ক’রে যা’চ্ছে’ন ব’লে জা’নি’য়ে’ছে’ন ‘তি’নি।

ত’বে প’দ আ’ক’ড়ে ধ’রে রা’খা’র কো’ন’ও ই’চ্ছা নে’ই ব’লে জা’নি’য়ে’ছে’ন বা’ফু’ফে’র ব’র্ত’মা’ন স’ভা’প’তি। তা’র ‘চে’য়ে’ও ভা’লো কা’উ’কে পে’লে দা’য়ি’ত্ব দি’তে কো’নো আ’প’ত্তি নে’ই ব’লে জা’নি’য়ে’ছে’ন সা’লা’উ’দ্দি’ন। আ’জ বা’ফু’ফে ভ’ব’নে হ’ও’য়া এ’ক

সংবাদ সম্মেলনে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি।সালাউদ্দিন বলেন, ‘ফুটবল একার পক্ষে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এখানে যদি সবাই এক সঙ্গে না হতে পারি। আমি কেনো, যাকে আনেন অসুবিধা নেই। যদি ভালো করতে পারে

তাহলে চেয়ার পাবে। রাস্তায় রাস্তায় টোকাইয়ের মতো টাকা উঠানো আমার ডিউটি নয়। এটা আমার বাবার চেয়ার না যে সবসময় থাকবে। যে কেউ আসতে পারে এখানে। ’মেয়েরা সালাউদ্দিনের কাছে নিজেদের দাবি তুলে ধরেছিলেন।

সেই দাবি পূরণ না হওয়ায় তারা তিন দিন অনুশীলন বন্ধ রেখেছিল বলে জানান বাফুফে সভাপতি, ‘মেয়েরা আসছিল আমার কাছে, কিছু চাহিদা জানিয়েছে। শুধু এক জায়গায় রিজনেবল নায়। প্রথম হলো পাঁচগুণ বেতন বাড়াতে হবে।

দ্বিতীয়ত গিয়ার্স দিতে। বিদেশি বুট দিতে। ’‘তৃতীয়ত বলেছে ম্যাচ ফি ও বোনাস দিতে। ফুডের কোয়ালিটি ভালো করতে। ওরা যে পাঁচটি ডিমান্ড দিয়েছে তা লজিক্যাল। শুধু পাঁচগুণ বেতন বাড়ানো ছাড়া। সব মিলিয়ে দেখি ফুডে এক কোটি

টাকার বেশি আসে। বুটে আসে ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা। আমি মনে করি জেনুইন চাহিদা। তবে সেই চাহিদা আমি পূরণ করবো কিভাবে? আমাদের ফান্ডে তো টাকা নেই। ’যদিও মেয়েদের অনুশীলন বন্ধ রাখা বাফুফে সভাপতির পছন্দ

হয়নি। তিনি বলেন, ‘তারা ট্রেনিং করা বন্ধ করলো। এটা মোটেও ভালো কাজ করেনি। আমিও ফুটবলার ছিলাম। আমাদেরও অনেক দাবি-দাওয়া ছিল। কিন্তু কখনও আমরা অনুশীলন বন্ধ করিনি।আমি মেয়েদের কমিটমেন্ট দিয়েছিলাম,

ডাবল বেতন দিতে থাকবো। সমাধান না আসা পর্যন্ত। তাদের ডেকে বলেছি অনুশীলন বন্ধ করলে তোমাদের লস হবে। আমি চেষ্টা করছি কীভাবে সবকিছু আয়োজন করা যায়। ’নিজের টাকা থেকেই মেয়েদের বাড়তি বেতন দিচ্ছেন বলে

জানিয়েছেন কাজি সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আমি তিন মাস আমার নিজের থেকে ডাবল বেতন দেবো। এরপর বসে সিদ্ধান্ত নেবো কি করা যায়। যাই হোক ওরা ট্রেনিং শুরু করেছে। এখন ফান্ড না থাকলে বেতন বাড়াবো কীভাবে।