‘এক কোটি টাকার পাঞ্জাবি উঠাইছিলাম, সব পুইড়া শ্যাষ রে ভাই’

আ’মা’র চো’খে’র সা’ম’নে স’ব শ্যা’ষ হ’ই’য়া গে’ল ভা’ই, আ’মা’র স’ব শ্যা’ষ। চো’খে’র সা’ম’নে টে’কা জ্ব’ই’লা গে’লো’রে ভা’ই। এ’ক কো’টি টা’কা’র পা’ঞ্জা’ব উ’ঠা’ই’ছি’লা’ম। স’ব পু’ই’ড়া শ্যা’ষ রে ভা’ই…ব’ঙ্গ’বা’জা’র য’খ’ন আ’গু’নে পু’ড়’ছি’ল পা’শে দাঁ’ড়ি’য়ে’ই এ’ক দো’কা’ন’দা’র

পু’ড়ে যা’ও’য়া নি’জে’র দো’কা’নে’র দি’কে তা’কি’য়ে আ’র্ত’না’দ ক’র’ছি’লে’ন। এ’ক’টু প’র প’র নি’জে’র ক’পা’ল চা’প’ড়া’চ্ছি’লে’ন।তি’নি ব’ল’ছি’লে’ন, আ’মি স’কা’ল ৬ টা’য় খ’ব’র পা’ই’ছি আ’ই’য়া দে’খি আ’গু’ন আ’র আ’গু’ন। ফা’য়া’র সা’র্ভি’স আ’মা’গো স’ঙ্গে’ই ছি’ল। চা’ই’র’টা

দোকান ছিল, বঙ্গবাজার দুইটা ইসলামিয়া দুইটা। দামি দামি পাঞ্জাবি উঠাইছিলাম, চোখের সামনে সব জ্বলতাছে রে ভাই। বঙ্গবাজার সংলগ্ন সেক্রেটারিয়েট রোডের ফুটপাতের দিকে তাকালে দেখা যায়, শত শত মহাজন মাথায় হাত দিয়ে বসে আছেন।

ফেলছেন চোখের পানি। চারদিকে শুধু আহাকার। মঙ্গলবার সকাল ৬টা ১০ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গবাজারে ভয়াবহ আগুন লাগে। দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। এতে পুড়ে যায় দোকানপাট। নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে ফায়ার সার্ভিসের ৫০টি ইউনিট। প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ ও বাতাসের কারণে আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। আগুন নেভাতে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী অংশ নিয়েছে।