ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওডিয়াই শেষ হতে না হতে বিম্ফোরক তথ্য ,লাগামহীন দলের লাগামহীন বোর্ড!

দর্শকের আগ্রহের কমতি ছিল না। অন্তত টিকিটের বেচাবিক্রি তাই বলে। যদিও, গ্যালারি ফাঁকা। কাউন্টারে টিকিট নেই। তাহলে বিক্রি হওয়া টিকিট গেল কোথায়অবশ্য মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের ব্যাটিংটা

দেখার লায়েক ছিল না। ২০৯ রান তুলতেই সাজঘরে ফিরেছেন সবাই।অবশ্য কেবল বাংলাদেশ দলের ব্যাটিংটাই এদিন লাগামহীন ছিল না, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অব্যবস্থাপনাও ছিল আরও লাগামহীন। আসলে এই

লাগামহীনতার ‍শুরু তো বেশ ক’দিন থেকেই। বিসিবি সভাপতি এক সাক্ষাৎকারে ক’দিন আগেই লাগামহীন সব কথাবার্তা বলে সিরিজ থেকেই যেন সবার মনোযোগ সরিয়ে নিয়েছিলেন।
চান্দিকা হাতুরুসিংহে কোচ হিসিবে বাংলাদেশে এসেই

বেশ একটা গ্যাড়াকলে পড়লেন। পরে আবার নিজের কথাকেই অস্বীকার করলেন নাজমুল হাসান পাপন। সেসব নিয়ে অনেক জল ঘোলাও হয়। সে সবের মাঝেই সিরিজের প্রস্ততি শুরু করে স্বাগতিক বাংলাদেশ।পরের ধাপে এল মূল সিরিজ

শুরুর পালার। সেখানে টিকেটের গায়ে বাংলাদেশের সাথে ইংল্যান্ডের পতাকা নয়, শোভা পাচ্ছে গ্রেট ব্রিটেনের পতাকা। বাংলাদেশে ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে এসেছে ইংল্যান্ড দল।আর গ্রেট ব্রিটেন হল ইংল্যান্ড,

আয়ারল্যান্ড, ওয়েলস ও স্কটল্যান্ডসহ কয়েকটি দেশ ও অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটা যুক্তরাজ্য। ফলে, এটা কেবল ভুলই – বিরাট একটা বোকামিও বটে।যদিও এমন ভুল বিসিবির জন্য নতুন কিছু না। ২০১৮ সালের ১৯ জানুয়ারি মিরপুর

শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার সিরিজের একটি ম্যাচের টিকেটে ‘বাংলাদেশ’ বানানটাই ভুল ছিল। এছাড়া টুকটাক বানান ভুল তো নিত্য দিনের সঙ্গী।এবার একটুু প্রেসবক্সে ফেরা যাক। খুব

বেশিদিন নয়, বিরাট আয়োজন করে মিরপুরের প্রেসবক্সটা সাজিয়েছে বিসিবি। কেউ কেউ বলেন, এটা নাকি বিশ্বেরই অন্যতম সেরা প্রেসবক্সগুলোর একটু। তবে, সেটা কেবলই দর্শনের দিক থেকে।মার্চের এই প্রখর উত্তাপে শুরু হওয়া

ওয়ানডে সিরিজে প্রেস বক্সে এবার টিকে থাকাটাই ছিল বিশাল একটা সংগ্রাম। সেই ভারত সিরিজ থেকেই প্রেস বক্সের ডান পাশের দুটি এসি নষ্ট।দুই মাস পেরিয়ে গেলেও বিসিবি সেসব মেরামতে হাত দেয়নি। ইংল্যান্ড থেকে আসার পাঁচ

জন সাংবাদিকের জন্য অবশ্য প্রথমে দু’টো টেবিল ফ্যান, এরপর এয়ারকুলারের ব্যবস্থা করে ‘আতিথেয়তা’ করা হয়।তবে, দেশি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য তেমন কোনো ব্যবস্থাও ছিল না। ফলে গরমে ঘামতে ঘামতেই তাদের পেশাদারি

দায়িত্ব পালন করতে হয়।এরপর গত বিপিএলের সময়ও প্রেসবক্সের এই ত্রুটি বিসিবির মিডিয়া এবং গ্রাউন্ডস এন্ড ফ্যাসিলিটিজ বিভাগের নজরে আনা হয়েছিল। তাহলে কেন এতদিনেও সমস্যার সমাধান হল না? এই প্রশ্নের জবাব দেওয়ার কেউ নেই।