আলো ছড়ানো সৌম্যের সেই ব্যাটে এখন যেন রাজ্যের অন্ধকার, ক্যারিয়ার শেষ হতে চলছে এই ব্যাটারের

বাংলাদেশ জাতীয় দলে একসময় দাপটের সঙ্গে খেলেছেন ওপেনার সৌম্য সরকার। শট আর নজরকাড়া ব্যাটিংয়ে তিনি অন্যরকম সৌন্দর্য ফোটাতেন। একাধিকবার দলকে জিতিয়েও মাঠ ছেড়েছেন এই বাঁ-হাতি ওপেনার।আলো ছড়ানো সৌম্যের সেই

ব্যাটে এখন যেন রাজ্যের অন্ধকার। জাতীয় দল ও বিপিএলের পর চলমান ডিপিএলেও ব্যাট হাতে নিষ্প্রভ সৌম্যের দেখা মিলেছে।সবশেষ জাতীয় দলের হয়ে সৌম্য গত বছর পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত সেই

বিশ্বকাপের পর থেকে জাতীয় দলের সঙ্গে বেড়েই চলেছে এই ব্যাটারের দূরত্ব।মূলত টানা রানখরার কারণে সদ্য সমাপ্ত ও আসন্ন সিরিজে সুযোগ মিলছে না তার। তিনি জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতির পরিবর্তনে নিজেকে নতুন করে ভেঙে গড়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) চলমান আসরে সৌম্য খেলছেন তারকায় ঠাসা মোহামেডান দলে। অবশ্য প্রায় ম্যাচেই খেলার সুযোগ পেলেও বাঁ-হাতি ওপেনার সেভাবে কাজে লাগাতে পারছেন না। গ্রুপ পর্বের ৯ ম্যাচে মোহামেডানের হয়ে মাঠে

নেমেছেন সৌম্য। এর মধ্যে ব্যাট করা ৮ ইনিংসে করেছেন মোটে ১৬১ রান। ম্যাচপ্রতি তার গড় ২০.১৩ এবং স্ট্রাইকরেট ৮০.১০।ডিপিএলের প্রথম পর্বে সৌম্য অর্ধশতকের দেখা পেয়েছেন কেবল একবার। তবে সৌম্যর ওপর এখনও আশা রাখছেন

বিসিবির নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন। সপ্তাহখানেক আগে এই ওপেনারকে নিয়ে বাশার বলেন, ‘তার কাছ থেকে যে প্রত্যাশা ছিল, সেটা পাচ্ছি না। কিছুদিন আগেও সে দলের সঙ্গে ছিল। সৌম্যের অতীতে কিন্তু অনেক ভালো পারফরম্যান্স আছে।

বাংলাদেশের পক্ষে, ম্যাচ উইনিং ইনিংসও আছে।’তিনি আরও বলেন, ‘ঘরোয়া ক্রিকেটে তার কাছ থেকে যেমন প্রত্যাশা তেমনটা পাচ্ছি না। আশা ছিল ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো করবে, তাহলে আমাদের যে পুলটা সেটা আরও বড় হয়।

এখনও বিশ্বাস করি তার সামর্থ্য নিয়ে, তবে সেটার প্রকাশ সে ঘরোয়া ক্রিকেটে করতে পারছে না। সে কারণে তার মতো আমরাও হতাশ। তবে এখনও আমাদের চিন্তা-ভাবনার মধ্যে রয়েছে সৌম্য।’