আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে পেসারদের নিয়ে মুখ খুলে অবিশ্বাস্য মন্তব্য করলেন, তামিম

দলের পেস বোলিং ইউনিটের প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তিনি জানান, পরিপূর্ণ পেসার হিসেবে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করতে পেরেছে তারা। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি অ্যালান

ডোনাল্ড দায়িত্ব নেয়ার পর গত দুই বছর যাবত দুর্দান্ত পারফরমেন্স করছে বাংলাদেশের পেসাররা। কিন্তু সম্মিলিত পারফরমেন্স প্রদর্শনের মাধ্যমে নিজেদের প্রমাণের প্রয়োজন ছিল পেসারদের। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে

বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে পেসাররা।তাসকিন আহমেদ-হাসান মাহমুদ এবং এবাদত হোসেনের সমন্বয়ে গড়া পেস অ্যাটাক নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো

প্রতিপক্ষের ১০ উইকেট শিকার করেছেন। এতে ২৮ দশমিক ১ ওভারে ১০১ রানে গুটিয়ে যায় আয়ারল্যান্ড।১০২ রানের টার্গেট মাত্র ১৩ দশমিক ১ ওভারে স্পর্শ করে ১০ উইকেটের বড় জয় পায় বাংলাদেশ। নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে উইকেটের

হিসেবে এটিই সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় বাংলাদেশের।ম্যাচ শেষে তামিম বলেন, ‘পুরো সিরিজে আমরা যেভাবে খেলেছি, প্রথম দুই ম্যাচে এমন ব্যাটিং পারফরমেন্স আমরা আগে করিনি। আজ পেসাররা যেভাবে বোলিং করেছে তা অবিশ্বাস্য ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন আমি গর্ব করে বলতে পারি, আমাদের একটি শক্তিশালী পেস বোলিং ইউনিট রয়েছে। মিরাজের মতো একজন খেলোয়াড় যখন ব্যাট হাতে পারফর্ম করতে শুরু করেন, তখন আমাদের ব্যাটিংয়ের গভীরতা বাড়ে। আজ

আমরা অতিরিক্ত বোলার নিয়েও খেলেছি। খেলোয়াড়দের প্রতি আস্থা রাখতে হবে আমাদের। উত্থান-পতন থাকবেই, কিন্তু তাদের পাশে থাকতে হবে এবং এগিয়ে যেতে হবে।’প্রথম ম্যাচে ১৮৩ রানে জয় পায় বাংলাদেশ। রানের ব্যবধানে সবচেয়ে

বড় জয় ছিলো এটি টাইগাদের। দ্বিতীয় ম্যাচে ৬ উইকেটে ৩৪৯ রান করে নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারে বাংলাদেশ।তামিম বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি এই ইউনিটটি বিশ্বের অন্যতম সেরা হতে পারে। দক্ষতার সাথে

যেভাবে আমরা রান তাড়া করেছি সেটি প্রতিপক্ষকে বার্তা দেয়। কয়েক সপ্তাহ আগে আমি সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলাম, আমরা স্পোর্টিং উইকেটে খেলবো, আমাদেরকে এই ধরনের উইকেটে খেলতে উৎসাহিত করেছেন কোচ, এজন্য সকল

কৃতিত্ব তার। আপনি যখন এমন উইকেটে খেলে ফলাফল অর্জন করতে পারবেন তাতে অবাক হতে পারেন।’৩২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেছেন হাসান। ক্যারিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেন তিনি।

হাসান বলেন, ‘আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ। এই প্রথম আমি ওয়ানডে ম্যাচে পাঁচ উইকেট পেয়েছি এবং আমি অনেক খুশি। পেসারদের জন্য এমন আবহাওয়া খুবই ভালো এবং আমরা অনেক বেশি উপভোগ করেছি। এসব কিছুই হয়েছে একজন

ব্যক্তির (অ্যালান ডোনাল্ড) কারণে এবং একটি পেস বোলিং ইউনিট হিসেবে আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি, প্রতিদিনই উন্নতি করছি। আমরা মূল বিষয়ে কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং এটি ভাল হয়েছে।’