অবশেষে ডুশ খেয়ে হুশ ফিরলো আইরিশদের, সাকিব কিংবা তৌহিদ হৃদয় নয় টাইগারদের এই ৩ তারকা ক্রিকেটারকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন কোচ হেনরিখ মালান

বাংলাদেশ সফরের আগে উপমহাদেশের বাইরের দলগুলোকে দেখা যায় স্পিনের বিপক্ষে খেলার জন্য বাড়তি প্রস্তুতি নিতে। সেরকম প্রস্তুতি নিয়েই বাংলাদেশে পা রেখেছিল আয়ারল্যান্ড। তবে প্রথম ওয়ানডেতে আইরিশদের ব্যাটিং লাইনআপে

সবচেয়ে বড় ধস নামিয়েছেন বাংলাদেশের পেসাররা।বিশেষ করে টাইগার পেসার ইবাদত হোসেন একাই ৪ উইকেট নিয়েছিলেন। আরেক পেসার তাসকিন আহমেদ নিয়েছিলেন দুটি উইকেট। এমন পারফরম্যান্সের পর পেসারদের নিয়েও

বাড়তি পরিকল্পনা হাতে নিয়ে আইরিশরা। দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে তাই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে আয়ারল্যান্ড।ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে এসে আয়ারল্যান্ড দলের প্রধান কোচ হেনরিখ মালান বলেছেন, ‘গতকাল রাতেই দেখেছি,

বাংলাদেশ দল মানে শুধু স্পিনার নয়, তিনজন মানসম্পন্ন পেসারও আছে। আমার মনে হয় আমাদের জন্য ভালো একটি চ্যালেঞ্জ এটি।এটা নিশ্চিত করতে হবে যাতে আমরা আগামীকাল ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারি।’বাংলাদেশ সফরে এসে

প্রত্যাশার চেয়েও ভিন্ন পরিস্থিতি পেয়েছে আয়ারল্যান্ড। সে কথা স্বীকার করে নিয়েছেন দলটির প্রধান কোচ। তিনি আশা করেছিলেন তার দল আরও ভালোভাবে সিরিজ শুরু করবে।অবশ্য উইকেট নিয়ে কোনো দোষারোপ করছেন তা তিনি।মালান বলেন,

‘দেখুন, অবশ্যই এমন শুরু চাইনি আমরা। এটা নিশ্চিত করতে হবে যে আমরা কন্ডিশনে শতভাগ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। যেমনটি প্রত্যাশা করেছিলাম, সত্যি বলতে কি তার চেয়ে একটু ভিন্ন কন্ডিশন।উইকেট সত্যিই ভালো ছিল। আমাদের এখন

স্বচ্ছ একটা ধারণা থাকতে হবে এ ব্যাপারে।টিম মিটিংয়েও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মালান। প্রথম ওয়ানডের ভুলগুলো শুধরে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নতুন রূপে ফিরতে চায় আইরিশরা। প্রথম ম্যাচে পাওয়ার প্লেতে বেশ কয়েকটি

উইকেট পেলেও বাকি অংশে প্রভাব ফেলতে পারেনি তারা।বাংলাদেশের বোলারদের চাপে ফেলার পরিকল্পনা নিয়ে মালান বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি বা ওয়ানডেতে উইকেট নেওয়ার সামর্থ্য তো একটা ব্যাপার। কালও আলাদা কিছু ছিল না। পাওয়ার–

প্লেতে কিছু উইকেট নিয়েছিলাম, তবে মাঝের ওভারগুলোতে ওই জুটি গড়ে ভিত গড়ে দিয়েছে তারা।আমরা টিম মিটিংয়ে আলোচনা করেছি, কীভাবে উইকেট নেওয়া যায়, জুটি ভাঙতে হয়। নিজেদের কন্ডিশনে খেলা ভালো কিছু খেলোয়াড়দের চাপে ফেলা যায়।’